ব্যারিস্টার সুমনের কথা বলে প্রবাসীদের কাছ থেকে অর্থ বাণিজ্য, সংবাদ প্রকাশ করলে মামলার হুমকি

আওয়াজবিডি প্রতিবেদক
আওয়াজবিডি প্রতিবেদক
১৫ অক্টোবর ২০২০, ০৮:২৯ অপরাহ্ণ
১৭৪
তারুণ্যের চোখে স্বদেশ
ছবি- সংগৃহীত

নবীগঞ্জ উপজেলার বড়ভাকৈড়র পশ্চিম ইউনিয়নের সোনাপুর তারুণ্যের চোখে স্বদেশ সংগঠন অনলাইন রচনা প্রতিযোগিতার নামে ব্যারিস্টার সুমনকে প্রধান অতিথি দেখিয়ে প্রবাসীদের কাছে থেকে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা চলছে।

এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, সাম্প্রতি সময়ে অনলাইন ভিত্তিক রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে তারুণ্যের চোখে স্বদেশ নামে একটি সংগঠন। রচনা প্রতিযোগিতার পুরুস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে ব্যারিস্টার সুমন প্রধান অতিথি থাকবেন বলে প্রচার করে সংগঠনটি। ব্যারিস্টার সুমন নবীগঞ্জ উপজেলার মফস্বলের সোনাপুর এলাকায় আসবেন, গ্রামের মানুষের দুঃখ দুর্দশা দেশবাসীর সামনে তুলে ধরবেন এমন মনোভাব নিয়ে আগ্রহী হয়ে প্রবাসীরা পুরুস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান সফল করার জন্য টাকা দেন উদ্যোক্তা নাজমুল হকের কাছে। কিন্তু টাকা সংগ্রহ করে জানানো হয় ব্যারিস্টার সুমন আসবেন না। এ নিয়ে ওই এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে সমালোচনার ঝড় উঠে। রচনা প্রতিযোগীতার বিজয়ীদের নাম নিয়েও অনেক অভিযোগ রয়েছে। ১২শ শব্দের মধ্য রচনা লেখার নিয়ম থাকলে ও বিজয়ীদের রচনা ১৭/২৩শ শব্দের রচনাকে অর্থের বিনিময়ে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। বিজয়ীরা রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজকদের বিশেষ কারো আত্মীয় বলে দাবি করছেন এলাকার লোকজন।

এ বিষয়ে তরুণ্যের চোখে স্বদেশ ফেসবুক গ্রুপে লেখালেখি করে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে পোস্ট ও কমেন্ট ডিলেট করে দেওয়া হয়। প্রবাসী ভলেন্টিয়ার ও মেয়ে ভলান্টিয়ার এর মাধ্যমে টাকা সংগ্রহ করে নাজমুল হক এবং ক্যাশিয়ার বাবলু দাশের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা করারও অভিযোগ করছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে। 'তারুণ্যের চোখে স্বদেশ' এর অর্থ বাণিজ্য সকল ভলান্টিয়ার ও প্রবাসীদের মাঝে সন্দেহ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় একটি থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বার বার 'তারুণ্যের চোখে স্বদেশ' এর উদ্যোক্তা নাজমুল হকের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারুণ্যের চোখে স্বদেশ সংগঠনের ক্যাশিয়ার বাবুল চন্দ্র দাস বলেন, অর্থ বাণিজ্যের বিষয়টি মিথ্যা। তবে এ বিষয়ে কোনো সাংবাদিক সংবাদ প্রকাশ করলে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। পরে মেসেঞ্জারের মাধ্যমে এসএমএস পাঠিয়ে নবীগঞ্জে কর্মরত সাংবাদিকদের হুমকি দেন বাবুল চন্দ্র দাস। এ ঘটনায় সাংবাদিক মহলে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

এসএম/আওয়াজবিডি


আওয়াজবিডি প্রতিবেদক
আওয়াজবিডি প্রতিবেদক
https://www.awaazbd.live/author/awaaz-bd
mujib_100
ads
আমাদের ফেসবুক পেজ
সংবাদ আর্কাইভ